বৃহস্পতিবার ৫ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শঙ্কার মেঘ: আমদানিতে ব্যয় বৃদ্ধি ও সরবরাহ শৃঙ্খলে বিপর্যয়<gwmw style="display:none;"></gwmw> চীনের প্রতিরক্ষা বাজেটে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির প্রস্তাব: টানা ১১ বছর একক অঙ্কের প্রবৃদ্ধি বজায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১১ দফা নির্দেশনা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার<gwmw style="display:none;"></gwmw> বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান সংঘাত: মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মহাযুদ্ধের দামামা, বিশ্ব অর্থনীতিতে ধস জ্বালানি সংকটের শঙ্কা: আলোকসজ্জা পরিহার ও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার কমানোর নির্দেশ সরকারের সাদিক আহমেদের পদত্যাগ: নীতি সুদহার কমানোর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক স্থগিত করল বাংলাদেশ ব্যাংক বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ২২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে চীনা প্রতিষ্ঠান; ৪,১৭০ জনের কর্মসংস্থান<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw>

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১১ দফা নির্দেশনা

ঢাকা : বর্তমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দেশের সকল সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ও কর্পোরেশনসমূহের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জারিকৃত এক নির্দেশনায় এ কথা বলা হয়।

নির্দেশনার আদেশের কপিটি সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব, সচিব, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) পাঠানো হয়েছে এবং তা দ্রুত কার্যকর করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সরকারি কর্মকর্তাদের আরও সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে গৃহীত ব্যবস্থাগুলো হলো— 

১. দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার পরিহার করতে হবে এবং জানালা, দরজা বা ব্লাইন্ড খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে।

২. বিদ্যমান ব্যবহৃত আলোর অর্ধেক ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইটের ব্যবহার পরিহার করতে হবে। 

৩. অফিস চলাকালীন প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে।

৪. এয়ার কন্ডিশনার (এসি) ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার উপরে রাখতে হবে।

৫. অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় বাতি, ফ্যান ও এসি বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।

৬. অফিসের করিডোর, সিঁড়ি ও ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় বাতি জ্বালানো বন্ধ রাখতে হবে।

৭. বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে। 

৮. অফিস সময় শেষ হওয়ার পর কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানারসহ সকল বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম পুরোপুরি বন্ধ রাখতে হবে।

৯ সকল প্রকার আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে।

১০. সরকারি গাড়ির ব্যবহার সীমিত করতে হবে।

১১. জ্বালানি ব্যবহারে সর্বোচ্চ সাশ্রয়ী হতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত পত্রে আরও জানানো হয়, প্রতিটি দপ্তর ও সংস্থাকে তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন অফিসগুলোতে এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।বাসস