সোমবার ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ:
গণভোটের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা পল্লী বিদ্যুতের ৩ কোটি ৭২ লাখ গ্রাহকের কাছে যাবে ‘হ্যাঁ’ লিফলেট রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বিদ্যুৎ খাতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রচারণা চালানো হবে আইসিএমএবি’র নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন মো. কাওসার আলম জলবায়ু পরিবর্তন ও ট্রাম্প: গণমাধ্যমের দৃষ্টিভঙ্গি বনাম বাস্তবতা গ্রিনল্যান্ড কিনতে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর ট্রাম্পের ১০% শুল্ক আরোপের ঘোষণা লগারহেড কচ্ছপ ‘গুমুশ’-এর বিস্ময়কর যাত্রা: সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধিই কি কারণ?

বাংলাদেশে ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনে ১২টি প্রতিষ্ঠানের আবেদন জমা

ঢাকা: বাংলাদেশে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের (বিবি) কাছে মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান লাইসেন্সের জন্য আবেদন জমা দিয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো সম্পূর্ণ ক্যাশলেস এবং ইন্টারনেট-ও অ্যাপ-নির্ভর প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে স্মার্টফোন বা অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং সেবা দিতে আগ্রহী।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু করে। প্রথমে আবেদনের শেষ সময় ৩০ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত থাকলেও পরে তা বাড়িয়ে ২ নভেম্বর পর্যন্ত করা হয়। গত রবিবার ছিল আবেদন জমা দেওয়ার চূড়ান্ত দিন।

আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য আবেদন জমা দিয়েছে এমন ১২টি প্রতিষ্ঠান হলো:

1. ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি

2. ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে

3. আমার ডিজিটাল ব্যাংক-২২ এমএফআই

4. ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি

5. বুস্ট-রবি6. আমার ব্যাংক (প্রস্তাবিত)

7. অ্যাপ ব্যাংক-ফার্মারস

8. নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার

9. মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি

10. উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক

11. মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক-আকিজ

12. বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক

ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালা ও শর্তাবলী বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৩ সালের ১৪ জুন ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালা জারি করে। এই নীতিমালার প্রধান শর্ত ও বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:

মূলধন: একটি ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন হবে ৩০০ কোটি টাকা।

স্থাপনাবিহীন কার্যক্রম: ডিজিটাল ব্যাংকগুলোর নিজস্ব কোনো শাখা, উপশাখা, এটিএম, সিডিএম বা সিআরএম থাকবে না। তারা কোনো ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) সেবা প্রদান করবে না।২৪/৭

সেবা: সব সেবাই হবে অ্যাপ-নির্ভর এবং ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই গ্রাহকদের সেবা দেওয়া হবে।

পণ্যের ধরন: গ্রাহকদের লেনদেনের সুবিধার্থে ভার্চুয়াল কার্ড, কিউআর কোডসহ অন্যান্য প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য দেওয়ার সুযোগ থাকবে, তবে প্লাস্টিক কার্ড দেওয়া যাবে না। গ্রাহকরা অন্য ব্যাংকের এটিএম ও এজেন্ট সেবা ব্যবহার করতে পারবে।

ঋণ প্রদানের সীমাবদ্ধতা: ডিজিটাল ব্যাংক কোনো ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারবে না এবং বড় ও মাঝারি শিল্পে ঋণ দেওয়া যাবে না। শুধুমাত্র ছোট ঋণ দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

আইপিও বাধ্যতামূলক: বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পাওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যে প্রতিটি ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবনা (আইপিও) আনতে হবে। আইপিওর পরিমাণ অবশ্যই উদ্যোক্তাদের প্রাথমিক বিনিয়োগের ন্যূনতম সমপরিমাণ হতে হবে।

ডিজিটাল ব্যাংকিং হলো অনলাইন ব্যাংকিংয়ের একটি বৃহত্তর অংশ, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে।