শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ:
ইমরান খানের ডান চোখ প্রায় অন্ধ: সর্বোচ্চ চিকিৎসার দাবি জানালেন ওয়াসিম আকরাম এ বিজয় বাংলাদেশের, এ বিজয় গণতন্ত্রের : তারেক রহমান একই গ্রাম থেকে ৩ জন সংসদ সদস্য: চট্টগ্রামের গহিরায় বইছে আনন্দের বন্যা বঙ্গভবনে নতুন সরকারের শপথ: থাকছেন ১ হাজার অতিথি সুন্দরবন রক্ষায় ‘সুন্দরবন সামিট ২০২৬’-এর ঘোষণা, আয়োজন ২৩-২৫ এপ্রিল ১৩তম জাতীয় নির্বাচন: ৪২টি দলের ভরাডুবি, সংসদে প্রতিনিধিত্ব মাত্র ৯ দলের তারেক রহমানকে নরেন্দ্র মোদীর ফোন: নির্বাচনে জয়ে অভিনন্দন ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতি ধানের শীষ না পেয়েও বাজিমাত: স্বতন্ত্র হিসেবে জয়ী বিএনপির ৭ ‘বিদ্রোহী’ নেতা জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জনগণের রায়: ৬০.২৬ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোটে সংস্কার প্রস্তাব পাস

বঙ্গভবনে নতুন সরকারের শপথ: থাকছেন ১ হাজার অতিথি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : ২০২৬ সদ্য সমাপ্ত ১৩তম জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বঙ্গভবনে আয়োজিতব্য এই অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ মোট ১ হাজার অতিথি উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ।

আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

সংসদ সদস্যদের শপথের সময়সীমা

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের পর তিন দিনের মধ্যে সংসদ সদস্য হিসেবে তাদের শপথ নিতে হয়। তিনি বলেন, “আগামীকাল ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এই তিন দিন সময় গণনা শুরু হবে। আশা করছি ১৫, ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হবে।”

প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন ও সরকার গঠন

শপথ গ্রহণের পরবর্তী প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে সচিব বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলো প্রথমে তাদের নিজস্ব সংসদীয় নেতা নির্বাচন করবেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা রাষ্ট্রপতিকে বিষয়টি অবহিত করবেন। এরপর রাষ্ট্রপতি নিয়ম অনুযায়ী তাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ দান করবেন এবং সুবিধাজনক সময়ে চূড়ান্ত শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে এই পুরো প্রক্রিয়া শেষ হবে।

শপথ পাঠ করাবেন কে?

সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন—এমন প্রশ্নে ড. শেখ আব্দুর রশীদ জানান, এটি সংসদ সচিবালয়ের বিষয়। তবে অনানুষ্ঠানিক সূত্রের বরাতে তিনি বলেন, “এখানে কয়েকটি বিকল্প আছে। সাধারণত স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়ান। তারা না থাকলে রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি, এমনকি প্রধান বিচারপতি বা প্রধান নির্বাচন কমিশনারও এই শপথ পরিচালনা করতে পারেন।”

তবে মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।”

শপথ অনুষ্ঠানের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলেও তিনি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।