সোমবার ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ:
গণভোটের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা পল্লী বিদ্যুতের ৩ কোটি ৭২ লাখ গ্রাহকের কাছে যাবে ‘হ্যাঁ’ লিফলেট রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বিদ্যুৎ খাতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রচারণা চালানো হবে আইসিএমএবি’র নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন মো. কাওসার আলম জলবায়ু পরিবর্তন ও ট্রাম্প: গণমাধ্যমের দৃষ্টিভঙ্গি বনাম বাস্তবতা গ্রিনল্যান্ড কিনতে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর ট্রাম্পের ১০% শুল্ক আরোপের ঘোষণা লগারহেড কচ্ছপ ‘গুমুশ’-এর বিস্ময়কর যাত্রা: সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধিই কি কারণ?

প্রধান উপদেষ্টার মালয়েশিয়া সফর: বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য নতুন সুযোগ ও সুবিধা

ঢাকা, ১৪ আগস্ট: প্রধান উপদেষ্টার সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরকে একটি “ঐতিহাসিক” সফর হিসেবে বর্ণনা করে তার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, এখন থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকরা স্থানীয় শ্রমিকদের মতোই বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা পাবেন।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।প্রেস সচিব জানান, এই সফরের সময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এর ফলে যেসব বাংলাদেশি শ্রমিক ভাষা সংক্রান্ত সমস্যার কারণে মালয়েশিয়ান কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানাতে পারতেন না, তারা এখন থেকে বাংলা ভাষায় অভিযোগ দায়ের করার সুবিধা পাবেন।

এটি শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় একটি বড় পদক্ষেপ।এছাড়াও, আলোচনায় উভয় পক্ষই মালয়েশিয়ায় অনিবন্ধিত বাংলাদেশি শ্রমিকদের বৈধ করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে মালয়েশিয়ায় নিরাপত্তারক্ষী এবং কেয়ার গিভার হিসেবে বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতে বাস্তবায়িত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শফিকুল আলম আরও বলেন, মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কাজের সুযোগ বাড়াতে একটি ‘গ্র্যাজুয়েট প্লাস’ প্রোগ্রাম চালু করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। মালয়েশিয়া সরকার এই প্রস্তাবটি বিবেচনা করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।

বাণিজ্যিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ খুব শিগগিরই মালয়েশিয়ার সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) নিয়ে আলোচনা শুরু করবে। বর্তমানে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশ প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলারের খাদ্য ও অন্যান্য পণ্য আমদানি করে।

এই চুক্তি উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও গতিশীল করবে। ইতোমধ্যে জাপান ও সিঙ্গাপুরের সঙ্গেও বাংলাদেশের এমন চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে।শফিকুল আলমের মতে, এই সফর দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করেছে।