বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ:
যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ তুষারঝড়: বিটকয়েন মাইনিং ক্ষমতা কমেছে ৩৭ শতাংশ ইউরোপে টেসলার বড় ধস: বিক্রি কমেছে ৩৮ শতাংশ, বাজার দখলে এগোচ্ছে চীনা বিওয়াইডি প্রধান উপদেষ্টার কাছে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস কমিটির প্রতিবেদন বিজয়ী হলে প্রতিশোধ নয়, সবাইকে ক্ষমা করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের বিএনপিকে জয়ী করতে একাত্তরের মতো ঐক্যবদ্ধ থাকুন : তারেক রহমান ব্যাংকিং খাতকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপমুক্ত করতে আইনি সংস্কার জরুরি: গভর্নর ২৬ দিনে এলো ২৭১ কোটি ডলার: রেমিট্যান্সে বড় লাফ ইতিহাসে প্রথমবার ৫০০০ ডলার ছাড়ালো সোনার দাম: নেপথ্যে ট্রাম্পের শুল্ক নীতি ও বৈশ্বিক উত্তেজনা যুক্তরাষ্ট্রে দানবীয় তুষারঝড়: ১৫ হাজার ফ্লাইট বাতিল, ২০ অঙ্গরাজ্যে জরুরি অবস্থা

ডিসেম্বরের প্রথম ৯ দিনে ১.১৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স: প্রবাসী আয়ে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি

 চলতি অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স ১৪.২০ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ১৬.৫ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা :বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহে ডিসেম্বরের শুরুতেও ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি মাসের প্রথম ৯ দিনেই দেশে এসেছে ১.১৬ বিলিয়ন (১১৬ কোটি) মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক (BB) থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ডিসেম্বর ১ থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত আসা এই রেমিট্যান্সের পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২.৬ শতাংশ বেশি। গত বছর (২০২৪ সালের) ডিসেম্বরের প্রথম ৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল প্রায় ৯৪৫ মিলিয়ন (৯৪ কোটি ৫০ লাখ) ডলার।

রেমিট্যান্সের এই শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির পেছনে বেশ কয়েকটি কারণকে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মধ্যে অন্যতম হলো:

বৈধ চ্যানেলে প্রোণোদনা: ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ প্রেরণে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত প্রণোদনা এবং বৈধ উপায়ে টাকা পাঠাতে প্রবাসীদের প্রতি ক্রমাগত উৎসাহিত করা।

এক্সচেঞ্জ হাউসের সক্রিয়তা: প্রবাসী আয় সংগ্রহে এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর সক্রিয় ভূমিকা।

আর্থিক প্রণোদনা: রেমিট্যান্সে দেওয়া প্রণোদনা প্রবাসীদের হুন্ডি এড়িয়ে চলার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (১ জুলাই থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত) রেমিট্যান্স প্রবাহে জোরালো প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মোট ১৪.২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রবাসী আয় দেশে এসেছে।

গত অর্থবছর (২০২৪-২৫) এর একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ ২.১২ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ১৬.৫ শতাংশ বছরভিত্তিক প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। গত অর্থবছরের একই সময়ে মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১২.০৮ বিলিয়ন ডলার।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধিকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা।