বুধবার ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ:
কৃষি আধুনিকায়ন ও গ্রামীণ পুনর্জাগরণে মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করল চীন নারীদের নিয়ে অপপ্রচার চলছে, জামায়াতের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আমির রাজনৈতিক মতাদর্শ দেখে প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগের অভিযোগ আসিফ মাহমুদের আর্কটিক অঞ্চলের জন্য নতুন নীতিমালার ডাক দিল ইইউ; গ্রিনল্যান্ডের গুরুত্বে জোর ৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই, আমরা কাজ করছি: সেনাপ্রধান টিআইবির ‘দিব্যদৃষ্টি’ নেই, তারা সব দেখতে পায় না: অর্থ উপদেষ্টা শিক্ষা ও গবেষণায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও ইউনিভার্সিটি অফ রিডিংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা বেসরকারি ইপিজেড এখন থেকে ‘বেজা’র অধীনে: নতুন অধ্যাদেশ জারি

জাল নথিতে ১৭৬ কোটি টাকার রাজস্ব আত্মসাৎ: সাবেক ৩ কাস্টমস কর্মকর্তাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : শুল্ক সুবিধার অপব্যবহার ও জাল দলিল ব্যবহার করে সরকারের প্রায় ১৭৬ কোটি টাকা রাজস্ব আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক তিন কাস্টমস কর্মকর্তাসহ মোট সাতজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের অনুমোদিত চার্জশিট দুটি ভিন্ন মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত:

প্রথম মামলা (প্রায় ৮০.৯২ কোটি টাকা আত্মসাৎ)

প্রথম চার্জশিটে জাল দলিল ব্যবহার এবং কম শুল্কযুক্ত পণ্য ঘোষণা দিয়ে সরকারের প্রায় ৮০ কোটি ৯২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা রাজস্ব আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলার আসামি হলেন মোট চারজন:

  • গ্যানী ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মালিক মোহাম্মদ কাসিফ ফোরকান
  • মেসার্স সাই অ্যান্ড কোং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মোস্তফা কামাল চৌধুরী
  • সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা মো. শফিউল আলম
  • আমদানিকারক শওকত আনোয়ার চৌধুরী

দ্বিতীয় মামলা (প্রায় ৯৪.৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ)

দ্বিতীয় চার্জশিটে চীন থেকে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য আমদানির সময় মিথ্যা ঘোষণা, কম শুল্কযুক্ত এইচএস কোড ব্যবহার এবং জাল নথির মাধ্যমে সরকারের প্রায় ৯৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা রাজস্ব আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলার আসামি হলেন মোট তিনজন:

  • সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা হুমায়ন কবির
  • সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান
  • সাদমান এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. আবুল হাসনাত সোহাগ

তদন্তের সূত্র

তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা, জালিয়াতি ও অসদাচরণের মাধ্যমে ভুয়া জাহাজি দলিল তৈরি ও ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আত্মসাৎ করেছেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।