বৃহস্পতিবার ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ:
সকল ধর্মের মানুষকে ধারণ করে বাংলাদেশ গড়তে চাই: রাজশাহীতে জামায়াত আমির শুক্রবার বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবেন তারেক রহমান সরকার কে গঠন করবে তা নির্ধারণ করবে দেশের জনগণ : নাহিদ ইসলাম  অন্তর্বর্তী সরকারের ৫২৬টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ, বাস্তবায়নের হার ৮৩ শতাংশ  বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসনসহ ৭ দফা দাবি অফিসার্স কাউন্সিলের ডলারের দর ধরে রাখতে বাজার থেকে আরও ১৯ কোটি ৬৫ লাখ ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক পর্ষদ পুনর্গঠন: উত্তরা ফাইন্যান্সের নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কৃষি আধুনিকায়ন ও গ্রামীণ পুনর্জাগরণে মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করল চীন নারীদের নিয়ে অপপ্রচার চলছে, জামায়াতের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আমির

জনগণের লুণ্ঠিত আমানত ফিরিয়ে দেয়াই আমাদের অঙ্গীকার: মিরপুরে ডা. শফিকুর রহমান

ঢাকা, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : জনগণের সম্পদে কখনো হাত না দেয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দুর্নীতি আমাদের চরিত্র ও খাসলতের সঙ্গে যায় না। বরং জনগণের যে আমানত লুণ্ঠিত হয়েছে, তা তাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়াই আমাদের দায়িত্ব। ‎

আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৪টায় উত্তর কাফরুল ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব বাইশটেকি কবরস্থান মসজিদের সামনে থেকে ঢাকা-১৫ সংসদীয় আসনে আয়োজিত গণসংযোগ ও মিছিলপূর্ব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। ‎ ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের কথাবার্তায় যদি কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাহলে আল্লাহর ওয়াস্তে আমাদের ক্ষমার চোখে দেখবেন। আমরা যেন নিষ্ঠার সঙ্গে জনগণের জন্য কাজ করতে পারি। আল্লাহ যেন আমাদের কবুল করে নেন। আমরা কোনো ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চাই না।’ ‎

গণসংযোগ ও মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী সদস্য মোবারক হোসেন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি লস্কর মো. তসলিম, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু’র জিএস এস এম ফরহাদ, কাফরুল দক্ষিণ থানা জামায়াতে ইসলামীর আমির উপাধ্যক্ষ আনোয়ারুল করিম, থানা সেক্রেটারি মো. আবু নাহিদসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি ও দায়িত্বশীলরা। ‎

সমাবেশ শেষে শান্তিপূর্ণভাবে মিছিলটি এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন।