সোমবার ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ:
গণভোটের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা পল্লী বিদ্যুতের ৩ কোটি ৭২ লাখ গ্রাহকের কাছে যাবে ‘হ্যাঁ’ লিফলেট রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বিদ্যুৎ খাতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রচারণা চালানো হবে আইসিএমএবি’র নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন মো. কাওসার আলম জলবায়ু পরিবর্তন ও ট্রাম্প: গণমাধ্যমের দৃষ্টিভঙ্গি বনাম বাস্তবতা গ্রিনল্যান্ড কিনতে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর ট্রাম্পের ১০% শুল্ক আরোপের ঘোষণা লগারহেড কচ্ছপ ‘গুমুশ’-এর বিস্ময়কর যাত্রা: সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধিই কি কারণ?

চুক্তি ভিত্তিক আমদানিতে ব্যাংকের আর্থিক দায় নেই: বাংলাদেশ ব্যাংক

ঢাকা, ২৪ জুন: চুক্তিভিত্তিক আমদানির ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কোনো আর্থিক দায় থাকবে না বলে স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক খাতের সংশ্লিষ্টদের মতে, এই পদক্ষেপ আমদানি প্রক্রিয়াকে সহজ করবে এবং ব্যাংকগুলোকে এ ধরনের চুক্তিতে আরও আগ্রহী করে তুলবে।

মঙ্গলবার (২৪ জুন) জারি করা এক সার্কুলারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে যে, শুধুমাত্র একটি বিক্রয় চুক্তিপত্রের ভিত্তিতে আমদানিকারকদের আমদানি কার্যক্রম পরিচালনা থেকে বাধা দেওয়া যাবে না।

সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, অনেক ব্যাংক চুক্তির আওতায় করা আমদানির লেনদেনে পূর্বে অনাগ্রহ দেখিয়েছিল। তারা মনে করত যে, এই ধরনের লেনদেনে মূল্য পরিশোধের দায় তাদের (ব্যাংকগুলোর) ওপর বর্তায়। তবে, নতুন নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ব্যাংকগুলো কেবল আমদানিকারকদের দেওয়া অর্থ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দায় পরিশোধের প্রক্রিয়াগত কাজ করবে। এই স্পষ্টীকরণ নিশ্চিত করে যে, ব্যাংকগুলোর এই লেনদেনে কোনো আর্থিক ঝুঁকি নেই।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই অবস্থানের পরিবর্তনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। শিল্প সংশ্লিষ্টরা উল্লেখ করেছেন যে, ২০২২ সালের একটি সার্কুলার, যেখানে চুক্তিভিত্তিক আমদানিতে মূল্য পরিশোধ নিশ্চিত করার নির্দেশনা ছিল, তা অজান্তেই অনেক ব্যাংককে এ ধরনের লেনদেনে সাড়া দিতে নিরুৎসাহিত করেছিল, ফলে আমদানি কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছিল।

এই সংশ্লিষ্টদের মতে, সর্বশেষ এই নির্দেশনা ব্যাংকগুলোর মধ্যে আস্থা বাড়াবে এবং চুক্তির ভিত্তিতে আমদানি কার্যক্রমকে উল্লেখযোগ্যভাবে সহজ করবে। এটি শেষ পর্যন্ত আমদানিকারকদের উপকৃত করবে এবং বৈদেশিক লেনদেনের গতি বাড়াবে।

একজন আমদানিকারক বলেছেন, “এটি একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। ব্যাংকগুলোর কোনো আর্থিক দায় না থাকার বিষয়টি পরিষ্কার হওয়ায় আমদানি খরচ কমাতে এবং একটি আরও অনুকূল ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরিতে এটি সহায়ক হবে।”