সোমবার ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ:
গণভোটের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা পল্লী বিদ্যুতের ৩ কোটি ৭২ লাখ গ্রাহকের কাছে যাবে ‘হ্যাঁ’ লিফলেট রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বিদ্যুৎ খাতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রচারণা চালানো হবে আইসিএমএবি’র নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন মো. কাওসার আলম জলবায়ু পরিবর্তন ও ট্রাম্প: গণমাধ্যমের দৃষ্টিভঙ্গি বনাম বাস্তবতা গ্রিনল্যান্ড কিনতে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর ট্রাম্পের ১০% শুল্ক আরোপের ঘোষণা লগারহেড কচ্ছপ ‘গুমুশ’-এর বিস্ময়কর যাত্রা: সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধিই কি কারণ?

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পেল একসঙ্গে সর্বোচ্চ সংখ্যক পতাকা উড়ানো

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : মহান বিজয় দিবসে অনুষ্ঠিত প্যারাশুট জাম্প (স্কাইডাইভিং) চলাকালীন একসঙ্গে সর্বাধিক সংখ্যক পতাকা উড়ানোর রেকর্ডটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পেয়েছে। 

আজ আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ‘বাংলাদেশ পেল এক অনন্য আন্তর্জাতিক সম্মান। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে যে, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ মহান বিজয় দিবসে ঢাকায় অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ প্যারাশুট জাম্প অভিযানের মাধ্যমে বাংলাদেশ একসঙ্গে সর্বাধিক ৫৪টি জাতীয় পতাকা উত্তোলনের বিশ্বরেকর্ড গড়েছে।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সাহসী ও দক্ষ স্কাইডাইভারদের অংশগ্রহণে, যাদের মধ্যে আশিক চৌধুরী (বিডা)-সহ প্রশিক্ষিত প্যারাট্রুপাররা ছিলেন, এই ব্যতিক্রমী অভিযানে আকাশে ভেসে ওঠে লাল-সবুজের ৫৪টি পতাকা। পুরো উদ্যোগটি পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করে আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন (এএফডি)।

‘মোস্ট ফ্ল্যাগ ফ্লোন সিমুলটেনাসলি হুয়াইল স্কাইডাইভিং (প্যারাশুট জাম্প)’ শিরোনামে রেকর্ডটি অর্জন করে টিম বাংলাদেশ, যার মাধ্যমে দেশটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের অফিসিয়াল টাইটেল হোল্ডার হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের রেকর্ডস ম্যানেজমেন্ট টিম জানায়, এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের ৫৪তম বিজয় দিবসকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্মরণীয় করে তোলা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের স্কাইডাইভারদের একত্রিত করে জাতীয় ঐক্য, সাহস ও সক্ষমতার এক শক্তিশালী বার্তা বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরা।

এই অর্জন শুধু একটি বিশ্বরেকর্ড নয়; এটি বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা ও সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। লাল-সবুজের এই গর্বিত মুহূর্ত ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।