শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিবিসিসিআই’র ডিরেক্টর নির্বাচিত হলেন জহিরুল ইসলাম, আজীবন সদস্য পদ পেলেন কিবরিয়া ও মোর্তুজা<gwmw style="display:none;"></gwmw> দ্বিতীয় প্রান্তিকে সাব-ব্রাঞ্চে আমানত বেড়ে ৮৪,২৬৩ কোটি টাকা, ঋণ বিতরণ কমেছে ৭.৭ শতাংশ<gwmw style="display:none;"></gwmw> US cotton warehouse to launch in Chattogram in mid-November to boost bilateral trade তা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর তীব্র আপত্তি<gwmw style="display:none;"></gwmw> রাজধানীতে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ১১তম ‘বাপা ফুডপ্রো আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ২০২৪’ ‘ওয়ান বাই মেটলাইফ’ অ্যাপে গ্রাহকদের জন্য নতুন ৪ ফিচার যুক্ত ২০২৮ সালের মধ্যে শেয়ারবাজারে ডেরিভেটিভস চালুর লক্ষ্য: ডিএসই ঋণের জামানত মূল্যায়নে ১৩১ প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্য অর্থায়ন বাড়াতে সিটি ব্যাংকে আইটিএফসির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল

অবৈধ ইলিশ শিকার দমনে পদক্ষেপ নিচ্ছে বাংলাদেশ: ভারতীয় জেলেদের প্রবেশ নিয়ে উপদেষ্টার হুঁশিয়ারি

ঢাকা: বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশের জলসীমায় ভারতীয় জেলেদের ইলিশ শিকারের খবর প্রকাশের পর সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বুধবার সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)-এ বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালার উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

ফরিদা আখতার বলেন, “ভারতীয় জেলেরা আমাদের জলসীমার মধ্যে ইলিশ মাছ ধরছে জানতে পেরে আমরা কোস্টগার্ডকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছি। ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে।”

উপদেষ্টা জোর দিয়ে বলেন, সরকার বাংলাদেশের মানুষের জন্য ইলিশের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। তিনি যোগ করেন, “আমরা চাই আমাদের দেশের মানুষ ইলিশ খাক। আমাদের সমুদ্রে অবৈধভাবে মাছ ধরা বন্ধে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”

ইলিশ নিষেধাজ্ঞা ও জেলেদের চ্যালেঞ্জ

সরকার ইলিশ মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে মাছ শিকার ও কেনাবেচার খবর স্বীকার করেন ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, “আমরা নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছি, কিন্তু কিছু এলাকায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা বিধিনিষেধ কার্যকর করতে গিয়ে জেলেদের হামলার শিকারও হয়েছেন।”

এছাড়াও, নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সরকার নিবন্ধিত সকল জেলেকে পর্যাপ্ত চাল সরবরাহ করতে পারেনি বলেও স্বীকার করেন তিনি।

গবেষণায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান

কর্মশালায় উপদেষ্টা গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন তাদের প্রকল্প পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে গ্রামীণ নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে বিবেচনায় রাখেন।

তিনি স্থানীয় পোল্ট্রি উৎপাদন বাড়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং গবাদি পশুর খাদ্যে ক্ষতিকারক পদার্থ ব্যবহারের ওপর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ফরিদা আখতার সতর্ক করে বলেন, “যারা গবাদি পশুর খাদ্যে ট্যানারির বর্জ্য ব্যবহার করে, তারা দেশের শত্রু। এসব উপাদানে উচ্চমাত্রার ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকে, যা ক্যান্সারসহ অন্যান্য মারাত্মক রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।”

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব আবু তাহের মো. জাহের বলেন, মন্ত্রণালয় নিয়মিতভাবে গবেষণার বাজেট বৃদ্ধির জন্য অনুরোধ করে, তবে বরাদ্দকৃত তহবিল অবশ্যই সাধারণ মানুষের উপকারে আসতে হবে।