সোমবার ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ:
গণভোটের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা পল্লী বিদ্যুতের ৩ কোটি ৭২ লাখ গ্রাহকের কাছে যাবে ‘হ্যাঁ’ লিফলেট রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বিদ্যুৎ খাতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রচারণা চালানো হবে আইসিএমএবি’র নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন মো. কাওসার আলম জলবায়ু পরিবর্তন ও ট্রাম্প: গণমাধ্যমের দৃষ্টিভঙ্গি বনাম বাস্তবতা গ্রিনল্যান্ড কিনতে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর ট্রাম্পের ১০% শুল্ক আরোপের ঘোষণা লগারহেড কচ্ছপ ‘গুমুশ’-এর বিস্ময়কর যাত্রা: সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধিই কি কারণ?

অন্যায়ভাবে চাপ প্রয়োগ করলে নাম প্রকাশ করা হবে : দুদক চেয়ারম্যান

ঢাকা, (বাসস) : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেছেন, আগামী দিনে যারা দুদকের ওপর অন্যায়ভাবে চাপ প্রয়োগ করবেন তাদের নাম প্রকাশ করা হবে। 

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

চেয়ারম্যান বলেন, দুর্নীতিগ্রস্তদের ওপর চাপ বেশি আসে। তবে যারা সৎ থাকেন তাদের ওপর চাপ কম পড়ে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতে যারা দুদকে অন্যায়ভাবে চাপ প্রয়োগ করবেন, আমরা তাদের নামও প্রকাশ করে দেব।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি বলেন, সুষ্ঠু ও আনন্দময় পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা যায়। তবে কালো টাকার প্রভাব এবারও থাকতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, সংসদ সদস্যদের কাজ আইন প্রণয়ন করা, এটি কোনো লাভজনক পদ নয়। তাই নির্বাচনে অর্থের প্রভাব কমাতে সাংবাদিকদেরও চিন্তা করতে হবে।

প্রার্থীদের সম্পদ বিবরণী দাখিল প্রসঙ্গে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, যদি প্রার্থীদের সম্পদ আগে দুদকে জমা দিতে বাধ্য করা হয়, তবে একটি টাস্কফোর্স গঠন করে তা যাচাই করা সম্ভব হবে।

দুর্নীতি প্রতিরোধে তিনি বলেন, সিঙ্গাপুর দুর্নীতি দমনে সফল একটি দেশ। সেখানে প্রতিটি সরকারি অফিস দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করে। বাংলাদেশেও দুদক একই দায়িত্ব পালন করছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দুদক আপিল করেছে এবং তা নিষ্পত্তি হয়েছে। ফলাফলের দায় দুদকের নয়।

মামলা নিষ্পত্তি প্রসঙ্গে তিনি জানান, রাজধানীতে বিশেষ জজ আদালতের সংখ্যা মাত্র ১১টি। এত মামলার রায় দেওয়া সম্ভব নয়। তাই আদালতের সংখ্যা বাড়ানো জরুরি। এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতি, আইন উপদেষ্টা ও অ্যাটর্নি জেনারেল কাজ করছেন বলে তিনি জানান।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দুদকের কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ এবং সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম।