মঙ্গলবার ১০ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বাড়ল ডলারের দাম, আমদানিতে ১২৩ টাকা ঈদে ডিজিটাল লেনদেন নিরবচ্ছিন্ন রাখার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের<gwmw style="display:none;"></gwmw> দেশের মানুষ দূর্নীতি ও চাঁদাবাজি মুক্ত সূশাসন দেখতে চায়: মুফতি আমির হামযা বিদেশি বিনিয়োগের মুনাফা ও মূলধন ফেরতে কড়াকড়ি শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক<gwmw style="display:none;"></gwmw> অনিয়ম রোধে ৪ বেসরকারি ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ প্রশমনের আহ্বান চীনের বিশেষ দূতের কক্সবাজার সৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা এক সপ্তাহের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করার উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ঋণ নয় মালিকানানির্ভর শিল্পায়ন চায় সরকার: অর্থ উপদেষ্টা

২ বিলিয়ন ডলারের বেশি আকু বিল পরিশোধে নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ

ঢাকা, ৩ জুলাই – মে ও জুন মাসের আমদানি বিল বাবদ প্রায় ২.০২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু)-কে পরিশোধ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, যা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ দ্বি-মাসিক আকু বিল পরিশোধের ঘটনা।

আগামী ৮ জুলাই এই বিপুল পরিমাণ বিল পরিশোধ করা হবে। এই অর্থ পরিশোধের পর দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১.৬৮ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ২৯ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমে আসবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান ইউএনবিকে জানিয়েছেন যে, আগামী ৮ জুলাইয়ের মধ্যে আকুর বিল পরিশোধ হওয়ার কথা রয়েছে।তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন যে, নিট রিজার্ভ আকু এবং অন্যান্য বিল পরিশোধের পরেই হিসাব করা হয়, তাই এ ধরনের পেমেন্ট নিট রিজার্ভের পরিমাণে কোনো পরিবর্তন আনে না।

তবে, যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করে, অথবা সরকার তার কোনো প্রকল্পে বিনিয়োগ বা ঋণ দেয়, তাহলে নিট রিজার্ভ প্রভাবিত হবে।বাংলাদেশ ব্যাংক ইঙ্গিত দিয়েছে যে, আগামী সপ্তাহে আকু বিল পরিশোধের পর মোট রিজার্ভ ২৯.৬৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসতে পারে। এই হিসাব প্রাথমিক এবং বিল পরিশোধ ও হিসাব সমন্বয়ের পর সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে। তবে, দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ বা নিট আন্তর্জাতিক রিজার্ভ (এনআইআর), যা বর্তমানে ২০.৬৯ বিলিয়ন ডলার রয়েছে, তা অপরিবর্তিত থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, জুলাই ২০২২ এর পর থেকে আকু বিল পরিশোধের পরিমাণ ওঠানামা করলেও, ২০২৩ সালে প্রতি দুই মাস অন্তর পরিশোধের পরিমাণ ১.৩ বিলিয়ন ডলারের নিচে ছিল। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস থেকে আবার পরিশোধের পরিমাণ বাড়তে থাকে, যা সর্বশেষ মে-জুন মাসে তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ২.০২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।