বৃহস্পতিবার ৫ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান সংঘাত: মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মহাযুদ্ধের দামামা, বিশ্ব অর্থনীতিতে ধস জ্বালানি সংকটের শঙ্কা: আলোকসজ্জা পরিহার ও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার কমানোর নির্দেশ সরকারের সাদিক আহমেদের পদত্যাগ: নীতি সুদহার কমানোর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক স্থগিত করল বাংলাদেশ ব্যাংক বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ২২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে চীনা প্রতিষ্ঠান; ৪,১৭০ জনের কর্মসংস্থান<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> ইরানে হামলায় এআই প্রযুক্তির ব্যবহার: যুদ্ধক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ<gwmw style="display:none;"></gwmw> রপ্তানি সংকটের মুখে পোশাক শ্রমিকদের বেতন দিতে বিশেষ ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে: গভর্নর রপ্তানি খাতে ২৫০০ কোটি টাকা ছাড়: সরকারকে বিজিএমইএ’র ধন্যবাদ ডিসেম্বরে শ্রেণিকৃত ঋণ কমেছে ৮৭ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা

দুবাইয়ের গালফুডে বাংলাদেশের বড় সাফল্য: ২৭.৫ মিলিয়ন ডলারের রপ্তানি ও ক্রয়াদেশ লাভ

নিজস্ব প্রতিবেদক ,দুবাই: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খাদ্য ও পানীয় বিষয়ক আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ‘গালফুড ২০২৬’-এ বড় ধরনের বাণিজ্যিক সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ। পাঁচ দিনব্যাপী এই মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সব মিলিয়ে ২৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন (২ কোটি ৭৫ লাখ) মার্কিন ডলারের রপ্তানি ও সম্ভাব্য ক্রয়াদেশ পেয়েছে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) মেলা শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

রপ্তানি ও ক্রয়াদেশের চিত্র বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মেলা চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো ১০ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের সরাসরি রপ্তানি নিশ্চিত করেছে। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছ থেকে আরও ১৭ মিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য ক্রয়াদেশ (Export Orders) পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবারের গালফুডে বাংলাদেশের মোট ৩৪টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-এর অর্থায়নে ও সহায়তায় এসব প্রতিষ্ঠান মেলায় তাদের বৈচিত্র্যময় খাদ্যপণ্য প্রদর্শন করে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই বিপুল পরিমাণ ক্রয়াদেশ আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের খাদ্যপণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মেলার বিস্তারিত দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ও এক্সপো সিটির দুবাই এক্সিবিশন সেন্টার—এই দুই ভেন্যুতে গত ২৬ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল গালফুডের ৩১তম আসর। শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি এর আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। এবারের মেলায় বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেশের ৮ হাজার ৫০০-এর বেশি শীর্ষস্থানীয় খাদ্য উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী ও পরিবেশক অংশ নেন।

উল্লেখ্য, এবারই প্রথমবারের মতো দুবাই শহরের মূল কেন্দ্রের বাইরে দুবাই এক্সিবিশন সেন্টারে (ডিইসি) কান্ট্রি প্যাভিলিয়ন ভিত্তিক এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়নটি দর্শনার্থী ও আমদানিকারকদের নজর কেড়েছে।

বিপুল পরিমাণ এই ক্রয়াদেশের ফলে বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত খাদ্য খাতের সক্ষমতা বিশ্ববাজারে আরও একবার প্রমাণিত হলো বলে মনে করছেন বাণিজ্য বিশ্লেষকরা।