বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বাড়ল ডলারের দাম, আমদানিতে ১২৩ টাকা ঈদে ডিজিটাল লেনদেন নিরবচ্ছিন্ন রাখার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের<gwmw style="display:none;"></gwmw> দেশের মানুষ দূর্নীতি ও চাঁদাবাজি মুক্ত সূশাসন দেখতে চায়: মুফতি আমির হামযা বিদেশি বিনিয়োগের মুনাফা ও মূলধন ফেরতে কড়াকড়ি শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক<gwmw style="display:none;"></gwmw> অনিয়ম রোধে ৪ বেসরকারি ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ প্রশমনের আহ্বান চীনের বিশেষ দূতের কক্সবাজার সৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা এক সপ্তাহের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করার উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ঋণ নয় মালিকানানির্ভর শিল্পায়ন চায় সরকার: অর্থ উপদেষ্টা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মাণ কাজ শিগগিরই শুরু হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: চীন সরকারের আর্থিক সহযোগিতায় ২শ’ ৪৪ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শিগগিরই শুরু হচ্ছে। এই প্রকল্পের স্থান নির্ধারণের জন্য চীনের একটি বিশেষজ্ঞ দল আজ ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ সোমবার জগন্নাথ হল এলাকা পরিদর্শন করে। পরিদর্শনকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন (Mr. Yao Wen), ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম এবং চীনা Feasibility Study-টিমের বিশেষজ্ঞ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন (Mr. Yao Wen)-এর নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ দলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়। উপাচার্যের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব পরিচালক, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অফিসের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য হল নির্মাণে সহযোগিতা করায় চীনের সরকার ও রাষ্ট্রদূতকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা গত ১৩/১৪ মাস যাবৎ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। চীন সরকারের আন্তরিক সহযোগিতায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে। আগামী ২/১ মাসের মধ্যে হল নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এই ছাত্রী হল ছাড়াও অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও বেশকিছু হল নির্মাণ করা হবে। এসব হল নির্মাণ করা হলে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ১ হাজার ৫শ’ ছাত্রীর আবাসনের ব্যবস্থা হবে।

চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন (Mr. Yao Wen) বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গত বছর ছাত্রীদের আবাসিক সংকটের বিষয়টি আমাকে অবহিত করেন। তখন থেকেই আমরা এবিষয়ে কাজ করে যাচ্ছি। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধাসহ শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে চীনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন