রবিবার ২২ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে জরুরি ব্যবস্থার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের; বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১১২ ডলার ইরান যুদ্ধের জন্য পেন্টাগনের ২০০ বিলিয়ন ডলারের জরুরি তহবিল তলব ডেপুটি গভর্নর নিয়োগের খবর ভিত্তিহীন ও অসত্য: বাংলাদেশ ব্যাংক সাত দিনের ঈদের ছুটিতে ব্যাংক ও পুঁজিবাজার; খুলবে ২৪ মার্চ সরকারি নির্দেশনা সত্ত্বেও অর্ধেক কারখানায় মেলেনি ঈদ বোনাস কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা দলের হয়ে কাজ করবে না ইসলামী ব্যাংক রপ্তানি বাড়াতে শিপিং ডকুমেন্ট পাঠানোর নিয়ম শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সঙ্গে থাই রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: সিন্ডিকেটের কারণে দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক, সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস: ক্যাব

কৃষি আধুনিকায়ন ও গ্রামীণ পুনর্জাগরণে মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করল চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,বেইজিং : ২০২৬ সালের জন্য নিজেদের নীতিগত অগ্রাধিকারের নির্দেশক হিসেবে ‘নম্বর ওয়ান সেন্ট্রাল ডকুমেন্ট’ (No. 1 central document) উন্মোচন করেছে চীন। মঙ্গলবার প্রকাশিত এই দলিলে কৃষি ও গ্রামীণ অঞ্চলের আধুনিকায়ন এবং সর্বাত্মক ‘গ্রামীণ পুনর্জাগরণ’ (Rural Revitalization) এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।

নীতিগত অগ্রাধিকার ও লক্ষ্য

প্রতি বছর চীন সরকারের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ বছরের প্রথম নীতিগত বিবৃতি হিসেবে এই দলিলটি প্রকাশ করে, যা দেশটির সরকারের অগ্রাধিকারের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হয়। ২০২৬ সালের এই দলিলে ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২৬-২০৩০) মেয়াদে কৃষিখাতকে শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

দলিলের মূল লক্ষ্যগুলো হলো:

  • জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা: দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে শীর্ষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
  • দারিদ্র্য বিমোচন: দারিদ্র্য বিমোচনের অর্জিত সাফল্যগুলোকে আরও সুসংহত ও প্রসারিত করা।
  • আধুনিক কৃষি খাত: কৃষিকে একটি আধুনিক ও শক্তিশালী স্তম্ভ হিসেবে গড়ে তোলা।

শহর ও গ্রামের সমন্বিত উন্নয়ন

দলিল অনুযায়ী, কৃষি, গ্রামীণ অঞ্চল এবং গ্রামবাসীর সমস্যাগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে চীন সরকার। এতে শহর ও গ্রামের মধ্যে সমন্বিত উন্নয়ন এবং কৃষকদের জীবনমান সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে নীতিগত কৌশল নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া, গ্রামীণ এলাকায় আধুনিক জীবনযাপনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়েও জোর দেওয়া হয়েছে।

১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সূচনা

২০২৬ সাল থেকেই চীনের ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা শুরু হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে কৃষিখাতের দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে উঠে একটি শক্তিশালী কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দলিলে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কৃষকদের জন্য গৃহীত নীতিগুলো যেন কার্যকরভাবে তাদের উপকারে আসে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করে।